হিমালয়া নিম ফেসওয়াস ব্যবহারের নিয়ম ও উপকারিতা জানুন

ত্বকের উপকারের জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের ফেসওয়াশ ব্যবহার করে থাকি। আপনি যদি হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ এর উপকারিতা সম্পর্কে জানার জন্য আগ্রহী হয়ে থাকেন। তাহলে এদিক - ওদিক খোঁজাখুঁজি বন্ধ করে ফেসওয়াশটির উপকারিতা ও হিমালয়া নিম ফেসওয়াস এর ব্যবহারের নিয়মগুলো পড়ে নিতে পারেন । 





নিমের ব্যবহার সম্পর্কে সকলেই কম বেশি অবগত। এখন নিম থেকে তৈরিকৃত নিম ফেসওয়াশের উপকার সম্পর্কে আমরা ভালোমতোই অনুভব করতে পারছি। আজকে আমরা এই আর্টিকেলে সেই হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ নিয়েই আলোচনা করব। 

পেজ সূচিপত্র : হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ ব্যবহারের নিয়ম ও উপকারিতা 

হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ ব্যবহারের নিয়ম 

আপনি যদি হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ এর উপকারিতা পেতে চান। তাহলে অবশ্যই আপনাকে হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ এর ব্যবহারের নিয়ম গুলো জানতে হবে। প্রত্যেকটি প্রোডাক্ট ব্যবহার করার আগে তার ব্যবহারের নিয়মগুলো জেনে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কারণ আমাদের ত্বক খুবই সেনসিটিভ অল্পতেই ক্ষতিকর দিকগুলো ফুটে উঠতে পারে। তাই যে কোন প্রোডাক্ট ব্যবহার করার আগে সেই সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে হবে। আর এরই প্রসঙ্গে হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ ব্যবহারের নিয়ম গুলো কি কি তা জেনে নিন। আশা করি এর নিয়মগুলো জেনে উপকৃত হবেন। 

  • সর্বপ্রথম মুখ ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। 
  • মুখ ধুয়ে নেওয়ার পরে পরিমাণ মতো হাতে তালুতে হিমালয়া নিম ফেসওয়াস নিয়ে নিন। 
  • এরপরে ফেসওয়াশ দিয়ে পুরো মুখ বা ত্বক ভালো করে ম্যাসাজ করুন। এভাবে করে দুই থেকে তিন মিনিট ম্যাসাজ করতে থাকুন। 
  • তারপরে পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালো করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। যেন মুখের আশেপাশে কোন ফেনা লেগে না থাকে। 
  • সর্বশেষে পরিষ্কার কোনো তোয়ালে দিয়ে আস্তে আস্তে মুছে ফেলুন। 
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে দিন ও রাত মিলে দুই বারের বেশি ব্যবহার করবেন না। যদি মুখে কম পরিমাণে ব্রণ থাকে তাহলে একবার ব্যবহার করুন। এভাবে করে নিয়মিত হিমালয়া নিম ফেসওয়াশটি ব্যবহার করতে থাকুন। এর ফলাফল আপনি একদিনে পাবেন না। এর ফলাফল পেতে হলে কিছুদিন সময় লাগবে। কিন্তু ইনশাআল্লাহ আশা করা যায় আপনার মুখ থেকে ব্রণসহ আরো অনেক সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকবে এই ফেসওয়াশ। 

হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ এর উপকারিতা 

হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ এর গুনাগুন সম্পর্কে যতই বলবো ততই কম কারণ উপকারিতাই এমন। আমরা অনেকেই আছি যারা হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ ব্যবহার করি কিন্তু তার উপকারিতা জানি না। আবার অনেকে আছি আরেকজনে দেখাদেখি ব্যবহার শুরু করে দেই। এই কাজটি ঠিক নয়। কারণ যে কোন প্রোডাক্ট ব্যবহারের আগে এর উপকারিতা ও ব্যবহারের নিয়ম গুলো জেনে নেওয়া প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আগে আমরা জেনেছি হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ এর ব্যবহারের নিয়ম। এখন আমরা জানবো এর উপকারিতা সম্পর্কে - তো চলুন 

আরো পড়ুন : 

  • হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ মূলত ত্বকের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ত্বকে যে সকল ক্ষতিকর জীবাণু রয়েছে তা নিরাময়ের সহায়তা করে। 
  • হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ এর কার্যকারিতা হচ্ছে ত্বক থেকে ব্রণ দূরীভূত করা। কারণ এর মধ্যে থাকা নিমপাতা মূলত ত্বক থেকে ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে। 
  • হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ দিয়ে নিয়মিত মুখ ধৌত করার ফলে ত্বক কোমল ও মসৃণ করে তোলে। সব সময় মুখ ফ্রেশ রাখতে আপনাকে সহায়তা করবে। 
  • ত্বক থেকে ব্রণের দাগ দূর করতে হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। 
  • ত্বকের ভিতর থাকা তৈলাক্ত ভাব দূর করতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। যার ফলে ত্বক অনেক মলিন ও হালকা মনে হয়। 
  • পাশাপাশি এই ফেসওয়াশটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে আপনাকে সাহায্য করবে। 
  • অনেকটা সূর্যের আলোক রশ্নি থেকেও প্রটেক্ট করতেও সহযোগিতা করে।
  • ত্বকের ভিতর থাকা জার্মগুলো নিমিষেই দূর করতে সহায়তা করে। 
  • ত্বক থেকে শুষ্ক ভাব দূর করার জন্য নিয়মিত হিমালয় নিম ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনার ত্বকের শুষ্ক ভাব দূর করার জন্য দারুন কাজ করে। 

ব্রণের জন্য উপকারী নিম ফেসওয়াশ 

হিমালয় নিম ফেসওয়াশ এর উপকারিতা সবচেয়ে বেশি দেখা দেয় ব্রণের সমস্যার সমাধানের জন্য। ড্রাই স্কিনের সমস্যা হলে খুব বেশি ড্রোনের সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়াও তৈলাক্ত এবং মাঝারি ধরনের স্কিনের জন্য ব্রণের সমস্যা থাকেই। মুখের ব্রণ সুন্দর্য নষ্ট করে দেয়। ব্রণের সমস্যা জেনেটিক কারণেও হতে পারে আবার ত্বকের ময়লা নিয়মিত পরিষ্কার না করার কারণেও হতে পারে। ব্রণের সমস্যার সমাধানের জন্য বিভিন্ন ধরনের ফেসওয়াশ বাজারে পাওয়া যায়। 

ত্বকের ধরন এবং সমস্যা অনুযায়ী কোন ফেসওয়াশটি সবচেয়ে সেরা প্রথমে আমাদের তা জানতে হবে। ব্রণের জন্য এমন ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে হবে যা খুব সহজেই ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। ব্রণের জন্য সাধারণত ধুলাবালি ও ডেড সেল হয়। এসব কারণ ছাড়াও ত্বকে গর্ত বা ব্ল্যাক হোল অথবা হোয়াইট হোল হলেও ব্রণের সমস্যা দেখা দেয়। তাই ভালো ফেসওয়াশ দিয়ে ময়লা হওয়ার আগের প্রস্তুতিমূলক পোশাকগুলো সমাধান করা জরুরী। 

আরো পড়ুন : 

আর এ কারণেই সবচেয়ে উপযোগী সমাধান হচ্ছে হিমালয়া নিউ ফেসওয়াশ। এই ফেসওয়াশ ড্রোনের আইলা পরিষ্কার করতে আমাদের ত্বকের জন্য খুবই উপকারী সমাধান হবে। আর সব ধরনের ত্বকের জন্য এটা খুবই স্বাস্থ্যকর। প্রতিদিন সকাল বিকালে বাহির থেকে এসে এই ফেসওয়াশটি ব্যবহার করলে খুবই উপকার পাওয়া যায়। তাই যারা সৌন্দর্যের ব্যাপারে সাবধানী তারা অবশ্যই সেটা নিয়মিত ব্যবহার করে থাকেন। 

হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া 

প্রত্যেকটি প্রোডাক্ট ব্যবহারের কিছু সাইড ইফেক্ট বা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে। ঠিক তেমনি ভাবে হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ এরও কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। সবাই যে এই ফেসওয়াশটি ব্যবহার করে উপকারিতা পাবে এমনটি ভাবা ঠিক নয়। কারণ সবার মুখে সবকিছু শুট করে না। অনেকের নিমপাতা মুখে শুট না করার কারণেও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। 

তাই যদি মুখে হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ সুট না করে তাহলে ত্বকের কি কি ক্ষতি হতে পারে - আসুন সেই সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেয়া যাক। 

  • একটানা বেশি দিন ব্যবহার করলে ত্বকের নানান ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। 
  • ত্বকের উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। 
  • ত্বকে নানান ধরনের ব্যাকটেরিয়ার ও ক্ষতিকর জীবাণু গুলো আক্রমণ করতে পারে। 
  • ত্বকে ব্রণের সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে। 
  • ত্বকের আদ্রতা ঠিক থাকবে না। 
  • হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ দুইবারের বেশি ব্যবহার করলে এই সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে। 

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ 

হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ এর উপকারিতা হচ্ছে এটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। তৈলাক্ত ত্বক আমাদের এশিয়ান স্কিনের জন্য খুবই সমস্যা। এই ত্বকের জন্য অনেক ধরনের স্কিনে সমস্যা হয়ে থাকে। স্কিনের বাহ্যিক সমস্যা ব্রণ মূলত এই তৈলাক্ত ত্বকের কারণে হয়ে থাকে। কারণ এই তৈলাক্ত ত্বকের জন্য স্ক্রিনে ময়লা খুব সহজেই বসে যায়। যার কারণে ত্বকের ড্যামেজ দেখা দেয়। 

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ কেন উপকার চলুন নিচে তা সম্পর্কে জানি- 

  • হিমালয়া নিম ফেসওয়াশে কন্ট্রোল উপাদান থাকার কারণে তৈলাক্ত ত্বকের জন্য এটি খুবই উপকারী। 
  • কোন ক্ষতিকর উপাদান নেই। 
  • এটিতে লেবুর নির্যাস রয়েছে। 
  • এটি স্বাভাবিকভাবেই অতিরিক্ত তেল সরিয়ে দেয়। 
  • এটা আমাদের পাশের দেশ ভারতে তৈরি হওয়ার কারণে আমাদের স্কিনের সাথে রিলেটেবল। 
  • এ কারণে আমাদের দেশে প্রচুর ব্যবহার হয়ে থাকে। 

আসল হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ কিভাবে চিনবেন 

আমরা অনেকেই আসল হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ চিনতে ভুল করি। যার ফলে নকল পণ্যটি ব্যবহার করি। তাইতো কিভাবে আসল ফেসওয়াশ চেনা যায় তা নিয়ে কিছু কথা। আসল নিম ফেসওয়াশ এর সাথে নকল ফেসওয়াশ এর লেভেল ও কথার ভিন্নতা থাকবে। আসল ফেসওয়াশ এর গায়ে লাগানোর লেভেল বা বিবরণ গুলো অ্যাটাচ থাকবে। 

আর নকল পণ্যটি লেভেল অথবা বিবরণ গুলো উপরে আরেকটি পলিথিন দিয়ে মোড়ানো থাকবে। আসল প্রোডাক্টের জেলির কালার হালকা হবে আর নকল পণ্যটির জেলির কালার গাড়ো রঙের হবে । এইভাবে আসল ও নকলের মধ্যে পার্থক্য করতে পারেন। আরো কিছু বিবরণ রয়েছে যেগুলো দেখে পার্থক্য করা যেতে পারে। 

আসল হিমালয় পণ্যের প্যাকেজিংয়ে একটি হলোগ্রাফিক স্টিকার থাকে যা নকল করা কঠিন। এই স্টিকারটি আলোর দিকে ধরলে বিভিন্ন রং প্রতিফলিত করে। আবার আসল পণ্যের প্যাকেজিং সাধারণত পরিচ্ছন্ন এবং ত্রুটিমুক্ত হয়। নকল পণ্যের প্যাকেজিং এ প্রায় অস্পষ্ট লেখা, ভুল বানান বা দুর্বল প্রিন্টিং দেখা যায়। হিমালয়া ওয়েবসাইটে বা অনুমোদিত বিক্রেতাদের কাছ থেকে পণ্য কিনুন এতে আপনি আসল পণ্য পাওয়া নিশ্চয়তা পাবেন। 

ত্বকের যত্নে হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ 

হিমালয়া নিম ফেসোয়াশ ত্বকের যত্নে খুবই জনপ্রিয় একটি ফেসওয়াশ। এটি ব্রণ এবং ত্বকের অন্যান্য সমস্যার সমাধানের সাহায্য করে। নিম ও হলুদের প্রাকৃতিক উপাদান সমৃদ্ধ এই ফেসওয়াশ ত্বককে পরিষ্কার সতেজ ও ব্রণ মুক্ত রাখতে সাহায্য করে। 

হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ সব ধরনের ত্বকের জন্য উপযোগী,  বিশেষ করে তৈলাক্ত ও ব্রণ প্রবণ ত্বকের জন্য এটি খুবই উপকারী। তবে, কারো ত্বকে এলার্জি থাকলে ব্যবহারের পূর্বে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেয়া উচিত। 

আরো পড়ুন : 

সাধারণত নিম বেটে মুখের ত্বকে লাগালে অনেক উপকার পাওয়া যায়। কিন্তু আমাদের সকলের কাছে তো সরাসরি নিমের পাতা ব্যবহার করার সুবিধা থাকে না। তাই নিম থেকে উৎপাদিত কোন প্রোডাক্ট যদি আমরা ব্যবহার করতে পারি তাহলে অবশ্যই আমাদের জন্য খুবই উপকারী এবং ত্বকের জন্য উপকারী একটি প্রোডাক্ট পেয়ে যায় আমরা। 

হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ এর উপাদান 

আমরা হিমালয় নিম ফেসওয়াশ এর উপকারিতা পাই, এর জন্য তৈরি কৃত উপাদান গুলোর মাধ্যমে। কারণ উপাদান গুলো সবাই প্রকৃতি থেকে সংগৃহীত। এই ফেসওয়াশ এর কাজই হচ্ছে ব্যাকটেরিয়া রিমুভ করা। ব্রণের মতো ব্যাকটেরিয়া সমাধান করে। উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং হিমালয় নিম ফেসওয়াশ ছেলেদের ত্বকেও বেশ ও কার্যকরী। 

  • নিম : নিম হিমালয়া নিউ ফেসওয়াস তৈরির প্রধান উপাদান। প্রাকৃতিক নিয়মের নির্যাস দিয়ে এই প্রোডাক্টটি তৈরি হয়েছে। নিম ফেসওয়াস বা শুধু নিম মানুষ রূপচর্চায় প্রচুর ব্যবহার করছে। এর প্রধান কারণ এর মধ্যে এন্টি ব্যাকটেরিয়া জাতীয় উপাদান রয়েছে। যা ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নয়নের জন্য খুবই উপকারী। 
  • হলুদ : যুগ যুগ ধরে হলুদ আমাদের ত্বকের জন্য অনেক উপকারী উপাদান হিসেবে পরিচিত। প্রাকৃতিকভাবে খুবই শক্তিশালী একটি চিকিৎসক হিসেবে হলুদের পরিচয় রয়েছে। শরীরের ভেতর থেকে বাইরে সব ধরনের সমস্যার জন্যই হলুদের ব্যবহার খুবই সাধারণ। হলুদ ভেসোর উপাদান সমৃদ্ধ স্কিনের জন্য খুবই উপকারী। 
  • মুলতানি বাটি : মুলতানি বাটি ও হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করতে মাটি খুবই উপকারী। এই মাটি ব্যবহারেও ত্বক উজ্জ্বল হয়। 

হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ এর দাম কত 

মূলত এটি ইন্ডিয়া থেকে বাংলাদেশে এসেছে। আর এ কারণে দোকান- ভেদে দামের তারতম্য হতে পারে। সাধারণত এই ফেসওয়াশটির সাইজ ৫০ থেকে ২৫০ গ্রামের মতো হয়ে থাকে। এ কারণে দাম অনুযায়ী তারতম দেখা যায়। ৫০ গ্রাম একটি হিমালয়া নিম ফেসওয়াস এর দাম ১৪০ টাকা এবং ১০০ গ্রাম ফেসওয়াস এর দাম ২৮০ টাকা ও ২৫০ গ্রামের দাম পরে ৬০০ টাকা।

হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ অনেক প্রকারের রয়েছে। তবে যেটি মুখ থেকে ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে। সেটি বাংলাদেশের দাম অনুযায়ী ১৫০ টাকা থেকে ১৭০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। এটি পাওয়া যায় বিভিন্ন কসমেটিকসের দোকানে অথবা অনলাইন শপগুলোতে। 

লেখকের মন্তব্য : হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ ব্যবহারের নিয়ম ও উপকারিতা 

পরিশেষে বলা যায়, হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ অধিক উপকারিতা সম্পন্ন একটি প্রোডাক্ট। যার সঠিক নিয়মে ব্যবহারের ফলে আপনি এর উপকার গুলো পেতে পারেন। অনেকেরই সাইড ইফেক্ট দেখা দিতে পারে, তবে সকলের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। ওপরের নিয়মগুলো যদি মেনে ব্যবহার করতে পারেন তাহলে ব্যবহারের মাধ্যমে এর উপকারিতা পাবেন। 

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, হিমালয়া নিম ফেসওয়াশ এর উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ে জেনে নিয়েছেন। আপনারা যদি এই ফেসওয়াশটি সম্পর্কে পরে উপকৃত হয়ে থাকেন। তাহলে, যাদের ত্বকের সমস্যা রয়েছে তাদেরকে এ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত করুন অথবা শেয়ার করে এ আর্টিকেলটি পড়ার সুযোগ করে দিন। যেন তারাও এই প্রোডাক্টটির সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে ব্যবহার করতে পারে। তথ্যটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

নাক্ষোমা এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url