সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা - জানুন কেন এটি উপকারী
সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা ব্যাপক। আপনি কি সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানতে চান। তাহলে আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য। আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
চিয়া সিড কিডনির জন্য কতটা ভালো, সুস্থ জীবনের সহজ উপায় জানুন। বর্তমান সময়ে মানুষ খাবার ও খাবারের পুষ্টিগুণ নিয়ে বড়ই সচেতন। তাই স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের খাদ্য তালিকায় এখন বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই সুপার ফুড চিয়া সিড। চলুন এই আর্টিকেলের মধ্যে আপনাদের সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানায়।
পেজ সূচিপত্র : সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা - জানুন কেন এটি উপকারী
- সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা
- চিয়া সিড কি
- চিয়া সিড এর পুষ্টিগুণ
- চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম
- ওজন কমাতে চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম
- রূপচর্চা ও চুলের যত্নে চিয়া সিড এর ব্যবহার
- চিয়া সিড খেলে কি পেটের চর্বি কমে
- গর্ভাবস্থায় চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম
- চিয়া সিড খাওয়ার অপকারিতা
- চিয়া সিড খাওয়ার পরিমাণ
- লেখকের মন্তব্য : সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা
সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা
সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা অনেক। বর্তমানে খাবার এবং খাবারের পুষ্টিকর নিয়ে সচেতন মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। এ কারণে চিয়া সিড কে মানুষ অনেক বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। এই খাবারটি প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। পুষ্টিবিদরা বলে থাকেন চিয়ার পুষ্টিগুণ পাবার জন্য সকালের নাস্তায় এবং দুপুরের খাবারের কিংবা দই এর সাথে, রাত্রে খাবারের শেষে, মিষ্টিমুখ করতে ও পুডিং এর মধ্যেও খান অনেকেই।
যত কিছুই আমরা শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য করি না কেন, যদি গোড়ায় সমস্যা থাকে তবে অপরিভাগে কাজ করে কোন ফলাফল পাওয়া যাবে না। শরীরকে রোগমুক্ত ও সুস্থ রাখার প্রথম প্রক্রিয়া শুরু হয় সকাল থেকে। আর এজন্য শতভাগ প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত চিয়া সিড নিয়মিত প্রতিদিন সকালে এক চা চামচ খেলে আপনার শরীরকে রোগমুক্ত রাখার সর্বোচ্চ সহায়ক হিসেবে ভূমিকা রাখবে। তাই ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিন গ্রহণ করুন এক চা চামচ চিয়া সিড।নিচে এর বিস্তারিত উপকারিতা তুলে ধরা হলো
- রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখবে : আপনার যদি সকালে মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলে রক্তে চিনির মাত্রা হুট করেই বেড়ে যেতে পারে সাথে বিপদজনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। চিয়া সিড এই প্রক্রিয়াকে ধীরগতি করে দেয় এবং কার্বন-হাইড্রেটকে রক্তের সাথে মিশতে দেয় না। ফলে যাদের টাইপ টু টাইপ ডায়াবেটিস রয়েছে চিয়া সিড ভিশন উপকারী হতে পারে তাদের জন্য।
- ওজন কমবে : আপনি কি অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে আপনার অতিরিক্ত ওজনের দুশ্চিন্তা দূর করতে পারে এই সুপার ফুড চিয়া সিড। এটি যেদিন খাওয়া শুরু করবেন তার আগে আপনার ওজন মেপে দেখুন। এক সপ্তাহ নিয়মিত চিয়া সিড খান অতঃপর আবার ওজন মাপুন। আপনি যদি স্বাস্থ্যকর উপায়ে ঠিকমতো চিয়া সিড খান তাহলে ওজন কমবেই।
- হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় : ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ চিয়া সিড হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখে। এটি শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাবে। আর শরীরে কোলেস্টরলের মাত্রা যত বেশি নিয়ন্ত্রণে থাকবে আপনার হৃদপিণ্ড তত বেশি সুস্থ ও সবল থাকবে। এছাড়াও হার্ট অ্যাটাক ও স্টক হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে আপনাকে সুরক্ষিত রাখবে। তাই দিনের শুরুটা করুন চিয়া সীড দিয়ে এবং চিয়া সিডের সকল উপকারিতা উপভোগ করুন।
- ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ : বর্তমান সময়ে ডায়াবেটিস নাই এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর। ডায়াবেটিস একধরনের আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে বর্তমান সময়ে এসে। রক্তের সুগারের মাত্রা যদি অনেক বেশি বেড়ে যায় তাহলে চিয়া সিড তা কমিয়ে ফেলতে পারে। এটি রক্তের ভিতর ইনসুলিনের সম্প্রসারণ বাড়াবে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করবে।
- রক্তস্বল্পতা দূর করে : যারা রক্তস্বল্পতায় ভোগেন তাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার এই চিয়া সিড। কেননা এর মধ্যে রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধের মূল উপাদান আয়রন রয়েছে। যা শরীরের রক্তস্বল্পতা দূর করে আপনার সুস্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনতে চমৎকার ভূমিকা রাখবে।
- রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে : চিয়া সীড রক্তের গ্লুকোজ আস্তে আস্তে শোষণ করতে সাহায্য করে। ফলে রক্তের শর্করার হঠাৎ উঠানামা হয় না। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি বিশেষ উপকারী।
চিয়া সিড কি
চিয়া সিড বলতে মরুভূমি অঞ্চলে জন্ম নেওয়া সালভিয়া উদ্ভিদের বীজকে বোঝানো হয়। মধ্য আমেরিকার বেশ কিছু অঞ্চলে চিয়া সিড অধিক পরিমাণে পাওয়া যায়। স্বাভাবিকভাবে এটি শস্য বলে মনে হলেও এটি আসলে ভেষজ জাতীয়। প্রাচীনকালে অ্যাজটেক জাতির লোকজন প্রধান খাবার হিসেবে চিয়া সিড খেত বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন। বর্তমানে সুপার ফুড হিসেবে চিয়া সিড আমাদের দেশে পরিচিতি লাভ করেছে। বাংলাদেশের চিয়া সিড উৎপন্ন হয় না বলে, বাহির থেকে তা আমদানি করতে হয়।
আরো পড়ুন :
চিয়া সিড এর বাংলা নাম চিয়া বীজ নামে পরিচিত। অনেকে চিয়া বীজ কে তোকমা ভেবে ভুল করে থাকেন। আসলে চিয়া বীজ ও তোকমা আলাদা দুটি জিনিস। চিয়া সিড ও তোকমা এক জায়গায় রাখলেই তা আপনারা বুঝতে পারবেন। সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়া আমাদের শরীরের জন্য কতটা উপকারি তা বর্তমানে অনেক মানুষ জানে না। প্রতিটা মানুষের এটি খাওয়া উচিত।
চিয়া সিড এর পুষ্টিগুণ
অধিক পুষ্টিকর খাবার গুলোর মধ্যে চিয়া সিড একটি। চিয়া সিডে রয়েছে দুধের তুলনায় ৫ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম, পালং শাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশি আইরন, কমলার তুলনায় দ্বিগুণ বেশি পটাশিয়াম, মুরগির ডিমের তুলনায় ৩ গুণ বেশি প্রোটিন এবং স্যামন মাছের তুলনায় ৮ গুণ বেশি, ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড। এছাড়াও এতে রয়েছে আরো নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান। চলুন জেনে নেই প্রতি ১০০ গ্রাম চিয়া সিডে কি পরিমান পুষ্টি উপাদান রয়েছে সে সম্পর্কে।
- জিংক ৪.৬ মিলিগ্রাম
- পটাশিয়াম ৪০৭ মিলিগ্রাম
- ফাইবার ৩৫ গ্রাম
- ক্যালসিয়াম ৬৩১ মিলিগ্রাম
- ফসফরাস ৪৮০ মিলিগ্রাম
- প্রোটিন ১৬.৫ গ্রাম
- ভিটামিন বি১ ০.৬৪ মিলিগ্রাম
- ভিটামিন বি৩ ৮.৯ মিলিগ্রাম
- আয়রন ৭.৭ মিলিগ্রাম
- ৪৮৬ কিলো ক্যালরি
- চর্বি ৩০ গ্রাম
- ম্যাগনেসিয়াম ৩৩৫ মিলিগ্রাম
- কার্বোহাইড্রেট ৪৩ গ্রাম
চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম
চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে অনেকে জানলেও চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে অনেকে জানে না। চিয়া সিড খাওয়া অনেক সহজ একটি ব্যাপার। এর কোন স্বাদ এবং গন্ধ নেই যার ফলে এটি রান্না করে খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। এটি এক ধরনের দানাদার বীজ জাতীয় খাবার। তাই এটি পানির সাথে মিশিয়ে খুব সহজেই খাওয়া যায়। চলুন জেনে নেই চিয়া সিড খাবার কয়েকটি নিয়ম সম্পর্কে -
আরো পড়ুন :
- হালকা কুসুম গরম পানিতে চিয়া সিড ২০ থেকে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে খেতে পারেন।
- শসা, টক দই এবং চিয়া সিড একসাথে মিশিয়ে এটি পাউরুটির সাথে খেতে পারেন। এভাবে খেলে এটি সুপার ফুড হিসেবে বিবেচিত হয়।
- চিয়া সিডের পুডিং, সুপ অথবা স্মুদি বানিয়ে সকালে নাস্তা হিসেবে এটি খেতে পছন্দ করেন।
- বিভিন্ন ধরনের ফলের জুসের সাথে এক চামচ চিয়া সিড মিশিয়ে আধা ঘন্টা রেখে দিন। এরপর আধাঘন্টা পর একসাথে কিছুটা পানি মিশিয়ে খেতে পারেন।
ওজন কমাতে চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম
সকালে খালি পেটে নিয়মিত চিয়া সিড খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। এটি আমাদের ওজন কমাতেও ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। চিয়া সিড আমাদের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে ওজন কমাতে সাহায্য করে। চলুন জেনে নেই ওজন কমাতে চিয়া সিড খাওয়ার কয়েকটি নিয়ম সম্পর্কে।
- ওজন কমানোর জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করার পাশাপাশি চিয়া বীজ খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।
- ওজন কমানোর জন্য নিয়মিত চিয়া সিড খাওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত তেল চর্বি জাতীয় খাবার আমাদের পরিহার করতে হবে। কারণ খাদ্যভ্যাসের পরিবর্তন ব্যতীত ওজন কমানো সম্ভব নয়।
- সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস পানিতে দুই চামচ চিয়া সিড এবং সেই সাথে দুই থেকে তিন চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খেলে এটি আমাদের দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে।
- সাধারণত চিয়া সিড খাওয়ার ৩০ মিনিট পূর্বে সাধারণ তাপমাত্রায় ভিজিয়ে রাখলে এতে প্রোটিনের পরিমাণ অনেক বেশি বেড়ে যায়। যার ফলে এটি খেলে আমাদের ক্ষুধা নিবারণ হয় এবং ওজন কমে।
- ওজন কমানোর জন্য চিয়া সিড, টক দই, স্মুদি, শরবত বা অন্যান্য স্বাস্থ্যকর খাবারের সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন।
- পুষ্টিবিদরা মনে করেন প্রতিটা মানুষকে সুস্থ থাকতে হলে প্রতিদিন ১০০ গ্রাম করে চিয়া সিড খাওয়া উচিত।
রূপচর্চা ও চুলের যত্নে চিয়া সিড এর ব্যবহার
রূপচর্চায় চিয়া সিডের ব্যবহার -
- ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখতে : চিয়া সিড জল শোষণ করে জেলে জাতীয় এক ধরনের টেক্সচার তৈরি করে যা ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখে। এক চা চামচ চিয়া সিড, তিন চা চামচ পানিতে ভিজিয়ে পনেরো থেকে বিশ মিনিট রাখুন। এই মিশ্রণটি মুখে লাগালে ১৫ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন, সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করতে পারেন।
- স্ক্রাব হিসেবে : চিয়া সিডে থাকা সূক্ষ্ম দানা ত্বকের মৃত কোষ তুলে ফেলে এবং ত্বক মসৃণ করে। এইজন্য এক চা চামচ চিয়া সিড ১চা চামচ মোদির সঙ্গে মিশিয়ে সাথে চাইলে এক চা চামচ নারকেল তেল যুক্ত করতে পারেন। সবগুলো উপাদানে একসাথে ভালোভাবে মিশিয়ে পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করুন এবং ১০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ।
- এন্টি অ্যাজিং মাস্ট হিসেবে : চিয়া সিডে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে বার্ধক্যের ছাপ থেকে রক্ষা করে। এজন্য এক চা চামচ চিয়া সিড, এক চা চামচ দই এবং ১চা চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখুন ১৫ থেকে ২০ মিনিট তারপর ধুয়ে ফেলুন।
- চুলে পুষ্টি জোগাতে : চিয়া সিডে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড চুলের গোড়া শক্ত করে এবং চুল পড়া কমিয়ে চুলকে মজবুত করে। চিয়া সিড ভিজিয়ে একটি মাস্ক বানান তারপর তাতে এক চা চামচ চিয়া সীড ২চা চামচ অ্যালোভেরা জেল এবং এক চা চামচ নারকেল তেল সবগুলো উপাদান ভালোভাবে মিশিয়ে চুলে ৩০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন।
চিয়া সিড খেলে কি পেটের চর্বি কমে
গর্ভাবস্থায় চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম
চিয়া সিড খাওয়ার অপকারিতা
- হজমে সমস্যা : চিয়া সিড উচ্চমাত্রার ফাইবার যুক্ত যা বেশি খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। যেমন পেট ফাঁপা, গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য বা পেট ব্যথার মত সমস্যা দেখা দিতে পারে। কেননা চিয়া সিড পানি শোষণ করে ফুলে যায়। যদি যথেষ্ট পানি না খাওয়া হয় তবে এটি অন্তরে আটকে গিয়ে হজমে ব্যাহত করে।
- রক্ত পাতলা হওয়ার ঝুঁকি : চিয়া সিড ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড থাকে যা রক্তকে পাতলা করতে পারে। কেউ যদি রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান তবে চিয়া সিড অতিরিক্ত খাওয়া বিপদজনক হতে পারে।
- এলার্জির সম্ভাবনা : এলার্জি সম্ভাবনা যদিও বিরল তবুও কিছু মানুষের মধ্যে এলার্জি দেখা দিতে পারে চিয়া সিড খাবার ফলে। যেমন ত্বকে ফুসকুড়ি, বমি বমি ভাব, শ্বাসকষ্ট ও বুকে চাপ অনুভব হতে পারে। যদি এই লক্ষণ গুলো দেখা যায় সঙ্গে সঙ্গে খাওয়া বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
নাক্ষোমা এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url